বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১৬ দিনে সাড়ে ১৪ লাখ ডিম আমদানি

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৫-২১ নভেম্বর পর্যন্ত ১৬ দিনে ভারত থেকে মোট ১৪ লাখ ৫২ হাজার ৯৯০ পিস ডিম আমদানি করা হয়েছে।

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৫-২১ নভেম্বর পর্যন্ত ১৬ দিনে ভারত থেকে মোট ১৪ লাখ ৫২ হাজার ৯৯০ পিস ডিম আমদানি করা হয়েছে। গত বুধবার রাতে সবশেষ ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৪০টি ডিম নিয়ে একটি ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করে। পরে চালানটি কাস্টমস থেকে ছাড়াতে কাগজপত্র জমা দেয় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট রাতুল ইন্টারন্যাশনাল। গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে চালানটি খালাস করে নিয়ে যায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাইড্রোল্যান্ড সলিউশন।

জানা যায়, আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫ শতাংশ শুল্ক সুবিধায় ভারত থেকে ডিম আনতে পারবেন বাংলাদেশী আমদানিকারকরা। স্বল্প শুল্কে আমদানি করা এসব ডিম পাইকারি বাজারে প্রতিটি ৯ টাকায় বিক্রি করার কথা রয়েছে। আগে প্রতিটি ডিমের জন্য ১ টাকা ৮৩ পয়সা শুল্ক দিতে হতো। বর্তমানে আমদানিকারকদের মাত্র ৭৬ পয়সা শুল্ক পরিশোধ করতে হচ্ছে।

ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ বাড়াতে গত ১৭ অক্টোবর শুল্ক কমিয়ে একটি আদেশ জারি করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর থেকে বেনাপোল কাস্টমসে ডিমের চালান ছাড় করানো হচ্ছে।

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাইড্রোল্যান্ড সলিউশনের প্রতিনিধি ইকরামুল হাসান সজিব বলেন, ‘সরকার নির্ধারিত কম শুল্কে বন্দর থেকে ডিম খালাস নিচ্ছি। বর্তমানে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ৫ শতাংশ শুল্কে ডিম খালাস দিচ্ছে। এখন দাম আগের চেয়ে ৪-৫ টাকা কম। প্রতিটি ডিম বাজারে ৯ টাকার মধ্যে পাইকারি বিক্রি করা হচ্ছে।’

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক মামুন কবীর তরফদার জানান, ডিম আমদানিকারকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশে চালান খালাস দেয়া হচ্ছে।

বেনাপোল কাস্টম হাউজ সূত্রে জানা গেছে, ৫ থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ১৪ লাখ ৫২ হাজার ৯৯০ পিস ডিম আমদানি করা হয়েছে। তবে সরকারের তরফ থেকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে আমদানির অনুমতি দেয়া হলেও এখন পর্যন্ত একটি মাত্র প্রতিষ্ঠানই ডিম আমদানি করছে।

আরও